Showing posts with label সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label সংবাদ. Show all posts

তৈরি পোষাক শিল্পের ইআরপি সফটওয়্যার ‘প্রত্যয়’

বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান খাত তৈরি পোষাক শিল্পকে তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয়করণের আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে ব্যাবিলন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিউজেন টেকনোলজি লিমিটেড

তৈরি পোষাক শিল্পের ইআরপি সফটওয়্যার ‘প্রত্যয়’

প্রতিষ্ঠানটি খাত সংশ্লিষ্ট গবেষণা (আরএনডি) করে ‘প্রত্যয়’ নামে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্লানিং (ইআরপি) সফটওয়্যার উন্মোচন করেছে।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই ইআরপির মাধ্যমে দেশের সফটওয়্যার খাত ও তৈরি পোষাক খাতের মেলবন্ধনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

ইতিমধ্যে ‘প্রত্যয়’ ইআরপি সফটওয়্যারটি গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এ ব্যাপারে নিউজেন টেকনোলজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) লিয়াকত হোসেন বলেন, ‘প্রত্যয়’ সফটওয়্যার এ দেশের তৈরি পোষাক খাতে আরও একটি মাইলফলক অর্জনের প্রত্যয় নিয়েই তৈরি করা হয়েছে।

এর পেছনে কাজ করছে দক্ষ, উদ্যমী এবং আত্মপ্রত্যয়ী একটি দল। সফটওয়্যারটিতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি যা ক্রমবর্ধমাণ গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ডেটার নিরাপত্তা ও নিরবিচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা দিতে সক্ষম।

ব্যাবিলন গ্রুপের তিন দশকের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটেছে সফটওয়্যারটিতে। যাতে যুক্ত হয়েছে তৈরি পোষাক খাতের পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ, আরও বেশি গতিশীল এবং আরও বেশি স্বচ্ছ করার জন্য নানাবিধ ফিচার।

এই সফটওয়্যারটি ইতিমধ্যে ব্যাবিলন গ্রুপের সবকটি ফ্যাক্টরিতে বাস্তবায়নের পাশাপাশি আর্গন ডেনিমস লিমিটেড, এ জে গ্রুপ লিমিটেডসহ তৈরি পোষাক খাত এবং টেক্সটাইল খাতের অনেক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়ন হচ্ছে।

লিয়াকত হোসেন আরও বলেন, শিগগির সফটওয়্যারটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাজারজাতকরণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

সফটওয়্যারটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন www.newgen-bd.com এই ঠিকানায়।

সবকিছু্ই পাওয়া যাবে ‘আমার সেবা’তে

ঘরে বসেই এক ওয়বসাইটে মহুর্তের মধ্যে সকল সেবা গ্রহণের সুবিধা দিবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস আমারসেবা ডটকম।

সবকিছু্ই পাওয়া যাবে ‘আমার সেবা’তে
কি নেই এই মার্কেটপ্লেসে? ক্লিনিং থেকে শুরু করে পেস্ট কন্ট্রোল সেবা, এসি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন ইলেক্ট্রিসিয়ান, নার্সিং, ফিজিওথেরাপি, কর্পোরেট, বিয়ে বা জন্মদিন এর জন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস, কার্পেন্টার, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ইত্যাদি।

এমন কি বাড়ি বানানোর জন্য বিল্ডিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন সেবা, ক্যাটারিং থেকে শুরু করে লন্ড্রি, পার্লার, ইলেক্ট্রিশিয়ান, ড্রাইভার থেকে দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব সেবা গ্রহণ করা যাবে এখান খেকে।

যা যে কেউই ঘরে বসে ডাকতে পারবেন।

বর্তমানে সমগ্র ঢাকা জুড়ে দৈনন্দিন জীবনের ৮০ রকমেরও বেশি সার্ভিস পাওয়া যাচ্ছে অনলান এই মার্কেটপ্লেস থেকে।

তবে খুব শিগগির “আমারসেবা” বাংলাদেশের প্রায় সকল জায়গায় তাদের সেবা পৌঁছে দিতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে তারা বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাজধানী চট্টগ্রামে অল্প পরিসরে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও জাকির হোসান।

আমার সেবার সিইও আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের সকল স্তরের মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া। এই জন্য আমরা আমাদের ওয়বসাইটে আরও নতুন সেবা সংযোজন এনেছি।

বর্তমানে সমগ্র ঢাকা ও চট্টগ্রামে আমরা সার্ভিস প্রদান করছি। ২০১৯ সালের মধ্যে আমাদের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়বে গোটা বাংলাদেশ জুড়ে।

আমার সেবার মাধ্যমে যেমন নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় মানুষেরা ঘরেই সার্ভিস পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন, সঙ্গে আরো উপকৃত হচ্ছেন হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

আমার সেবার সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক কাজী হামীম মাহমুদ জানান, বিভিন্ন ট্র্যাক থেকে আমাদের প্রায় ২ হাজার ভেরিফাইড ব্যাবসায়ী আছেন।

যাদেরকে দিয়েই আমরা মূলত আমাদের সেবাগুলো দিয়ে থাকি। আগামীতে আমরা আরও লোকবল নিয়োগ করবো যাতে আমরা আরও দ্রুত সার্ভিস দিতে পারি। আমার সেবা হবে কোটি মানুষের একটি বিশ্বস্ত নাম।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে শুরু হয় আমার সেবার যাত্রা। এর উদ্দেশ্য নাগরিক জীবনের লাইফস্টাইল পাল্টে দেয়া।

দৈনন্দিন জীবনের কাজকে সহজ করতে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সেবা দিচ্ছে আমার সেবা ডটকম।

এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে এই ঠিকানায়

এক সফটওয়্যারে রোগীর সব তথ্য

আমাদের গ্রাম। নাম শুনলেই নিজের গ্রামের ছবিটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। প্রত্যেকের জন্য তার গ্রাম ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড়। আজ বলব অন্য রকম একটি আমাদের গ্রামের গল্প। এই ‘আমাদের গ্রাম’ উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে। অনেক বিষয়ের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। আমাদের গ্রাম স্তন ক্যানসার নির্ণয় ও পরামর্শের জন্য তৈরি করেছে একটি সফটওয়্যার। যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ থাকবে রোগীর সব তথ্য। এই সফটওয়্যার তৈরির মূল কাজটি করেছেন বাংলাদেশি প্রোগ্রামাররা।
এক সফটওয়্যারে রোগীর সব তথ্য

তথ্যভান্ডার
আমাদের গ্রামের ক্যানসার চিকিৎসা পরামর্শ কেন্দ্র এই সফটওয়্যার ব্যবহার করছে ২০১০ সাল থেকে। যেখানে চলতি বছরের ১৮ জুন পর্যন্ত স্তন ক্যানসার নির্ণয় ও পরামর্শ সেবা নিতে আসা ১৬ হাজার ৯৭৪ জন নারীর সব তথ্য একটি সফটওয়্যারে সংরক্ষিত রয়েছে। সব তথ্যের বেলাতেই নিশ্চিত করা হয়েছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার (প্রাইভেসি) বিষয়টি।

ক্লিকেই সেবা
এক ক্লিকেই রোগীদের সব তথ্য পাওয়া যাবে এ সফটওয়্যারটি থেকে। বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা ও ঝনঝনিয়া গ্রামে এই প্রকল্পের কর্মকাণ্ড শুরু হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে খুলনা শহর পর্যন্ত। খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গায় রয়েছে একটি বিশেষায়িত কেন্দ্র। এই কেন্দ্র থেকে স্তন ক্যানসার নিরীক্ষা এবং পরে ধাপে ধাপে চিকিৎসা পরিচালিত হয় খুলনা মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সহযোগিতায়। প্রকল্পের রয়েছে নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি স্তন ক্যানসার চিকিৎসা গাইডলাইন যা তাদের ওয়েবসাইটে সবার জন্যই উন্মুক্ত। এই গাইডলাইন প্রণেতা দলের দলনেতা ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি ক্যানসার চিকিৎসক ও গবেষক প্রয়াত ডা. এ বি এম ফজলুল করিম।

সফটওয়্যারের চারটি ধাপ
এই সফটওয়্যার কাজ করে ধাপে ধাপে। একজন রোগীর জন্য মোট ৪টি ধাপ অনুসরণ করতে হয়। চারটি ধাপেই রোগীর সব তথ্য সফটওয়্যারে লিখে রাখা হয়।

প্রথম ধাপ: প্রকল্পের কর্মী নওরীন সেতু এই সফটওয়্যারের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন। রোগীর প্রথম ধাপের নিবন্ধন তথ্য যুক্ত করে, তিনি রোগীর একটি অ্যাকাউন্ট আইডি তৈরি করেন এবং রোগীকে বুঝিয়ে দেন। নওরীন বলেন, ‘আমার কাছে বোঝাটা ছিল জরুরি, তাই আমি পারছি। এখন তো মনে হয় এটা খুব সহজ কাজ। প্রথম ধাপে প্রাথমিক তথ্য যেমন নাম, ঠিকানা, মোবাইল ফোন নম্বর ও পারিবারিক বিবরণ সফটওয়্যারে লিপিবদ্ধ করা হয়। অনুমতি নিয়ে ছবিও তোলা হয়।’

দ্বিতীয় ধাপ: সেতুর সুপারভাইজার চামেলী আক্তার। নার্সিং ডিপ্লোমাসম্পন্ন চামেলী আক্তার যুক্ত আছেন প্রকল্পের শুরু থেকেই। রোগীর স্বাস্থ্যবিষয়ক ব্যক্তিগত তথ্য তিনি অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি জানান, এ সফটওয়্যার খুবই আধুনিক ও রোগীবান্ধব। চামেলী আক্তার বলেন, ‘আমাদের সব কেন্দ্র সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটেযুক্ত। এই মুহূর্তে রামপালে যদি কোনো রোগী যুক্ত হন তবে সঙ্গে সঙ্গে আমরা সবখানে তা দেখতে পাই। প্রয়োজন হলে বা পরামর্শ লাগলে আমরা এই সফটওয়্যারের নির্দিষ্ট স্থানে তা উল্লেখ করে দেই। এরপর বিদেশি ডাক্তার যাঁরা যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডায় থাকেন, তাঁরাও সম্পুর্ণ বিনা মূল্যে মতামত এই সফটওয়্যারের নির্ধারিত স্থানে লিখে দেন বা ই-মেইলে পরামর্শ দেন। কোন রোগীর প্রয়োজনে আমরা ভিডিও কনফারেন্সও করি ও সফটওয়্যারে সব আলোচনা লিখে রাখি।’

তৃতীয় ধাপ: প্রকল্পের তৃতীয় ধাপ ডা. তিমা বিনতে আজাদের তত্ত্বাবধায়নে হয়ে থাকে। সেবা নিতে আসা নারীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিস্তারিত বিবরণ, আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার ফলাফল, উল্লেখ করেন। গাইডলাইনের কোন নিয়মে তিনি ব্যবস্থাপত্র বা পরামর্শ দিচ্ছেন তা সফটওয়্যারে লিপিবদ্ধ করেন তিনি। কোনো রিপোর্ট থাকলে তার ফলাফলও এতে যুক্ত হয়।

চতুর্থ ধাপ: চতুর্থ বা শেষ ধাপে রোগীর সব বিবরণ দেখে ব্যবস্থাপত্রের একটি কপি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় উপদেশ, পরামর্শ, করণীয় সম্পর্কে রোগী এবং তার আত্মীয়-পরিজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। চামেলী আক্তার জানান, এ চার ধাপ সম্পন্ন করতে সফটওয়্যারে মোট সময় লাগে গড়ে ৩০-৪০ মিনিট।

সফটওয়্যার তৈরির কথা
কেমন করে তৈরি হলো এই সফটওয়্যার? জানালেন প্রকল্পের পরিচালক রেজা সেলিম। তিনি বললেন, ‘২০১০ সালে আমরা যখন এই সেবা চালু করি তখন থেকেই চিন্তা ছিল রোগীর স্বাস্থ্য তথ্য ইলেক্ট্রনিক উপায়ে সংরক্ষণ না করলে, পরে ফলোআপ হবে কেমন করে? তা ছাড়া সব তথ্য না থাকলে এই সেবার মান বজায় রাখা যাবে না। আমাদের সঙ্গে তখন কয়েকজন বিশ্বপরিচিত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ জড়িত ছিলেন যাঁরা এখনো আমাদের পরামর্শ দেন, তাঁরাও বিস্মিত হয়েছিলেন যে আমাদের দেশে স্বাস্থ্য তথ্য রেকর্ড হয় না। কেমন করে এই তথ্যভান্ডার সফটওয়্যার তৈরি করা যায় আজ থেকে ১০ বছর আগে তা ছিল অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।’

তরুণদের হাত ধরে
এ সফটওয়্যার তৈরি করেছে বাংলাদেশের একদল মেধাবী তরুণ। রেজা সেলিম বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের পরামর্শে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) একটা দল এ সফটওয়্যার তৈরি করে দেয়। জাবেদ মোর্শেদ চৌধুরী, ফেরদৌস আহমেদ এবং আরও কজন মিলে দাঁড় করান সফটওয়্যারটি। মাত্র আট মাসে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার এই সফটওয়্যার তৈরি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিরীক্ষণ করে ২০১১ সালের মে মাসে জেনেভায় তাদের বার্ষিক সম্মেলনে একে ‘ইন্টার-অপারেবল’ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। রেজা সেলিম জানান, সফটওয়্যারটি অনলাইনভিত্তিক ও সম্পূর্ণ নিরাপদ। এটা রাখা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্লাউড সার্ভারে। যা প্রতি সপ্তাহে নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ রেখে দেয়।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ প্রতিরোধে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর ডিভাইস উদ্ভাবন

বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত একজন ব্রিটিশ চিকিৎসা বিজ্ঞানী হৃদযন্ত্রের অনিয়মিত ও বিপজ্জনক স্পন্দন শনাক্ত করার মাধ্যমে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর একটি যান্ত্রিক কৌশল উদ্ভাবন করেছেন। ব্রিটেনের একটি বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল এ খবর জানায়।
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ প্রতিরোধে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর ডিভাইস উদ্ভাবন

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ক্লিনিক্যাল সায়েন্টিস্ট ডা. রামিন শাকুর বিশ্বের প্রথম এই হার্ট বিট রিডিং ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেছেন। এটি হৃদযন্ত্রের অস্বাভাবিক ও বিপজ্জনক স্পন্দন শনাক্ত করতে সক্ষম এবং ফলে এটি রক্তক্ষরণের প্রভাবও কমাতে পারে।

ক্যামব্রিজ সায়েন্স পার্ক জার্নাল জানায়, এই ডিভাইসটির নির্মাতা কোম্পানি উদ্ভাবনী ও নতুন হার্ট মনিটরিং ডিভাইসের মাধ্যমে সঠিক সময়ে অনিয়মিত ও বিপজ্জনক হার্ট বিট শনাক্ত করার মাধ্যমে রক্তক্ষরণ পরবর্তী ঝুঁকি কমাতে সক্ষম হবে বলে আশা করছে।

বার্তা সংস্থা বাসসকে ডা. রামিন শাকুর বলেন, কারো ইসিজি করানো প্রয়োজন হলে ‘হল্টার মনিটর’ নামে একটি ডিভাইস ব্যবহার করতে হয়। এতে রোগীর বুকে ১২টি লিড পরাতে হয়, যা ক্ষতিকর। কিন্তু নতুন উদ্ভাবিত ডিভাইসটি ‘দ্য ক্লাউড’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করেই হার্ট বিট কাউন্ট করতে পারে, যার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের ক্লিনিক্যাল ফেলো ডা. রামিন বলেন, এটি তাৎক্ষণিকভাবে ইসিজি প্রদর্শনের জন্য বিশ্বের একমাত্র ডিভাইস। আর এটি দিনে ১০-১৫ জন লোক ব্যবহার করতে পারবে।
৩৬ বছর বয়সী তরুণ এই চিকিৎসা বিজ্ঞানী এই ডিভাইসটি বাংলাদেশে চালু করতে আগ্রহী। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এই ডিভাইসটি চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে সরকারের সহায়তা প্রয়োজন।

দ্রুত টাইপ শেখার কৌশল

দ্রুত টাইপ শেখার কৌশল
দ্রুত টাইপ করতে পারাটা এখন একটি দক্ষতা। হালে এ দক্ষতার কদর রয়েছে। দ্রুত টাইপ করতে না পারায় অনেক সময়ের অপচয় হয়। সংক্ষেপে যদি দ্রুত টাইপ করার ‘গোপন রহস্য’ প্রকাশ করতে বলা হয়, তবে মনে রাখতে হবে যে এর জন্য আসলে তেমন কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই। তবে কিছু পথ আছে, যার মাধ্যমে টাইপ করার দক্ষতাকে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বাড়িয়ে নেওয়া যায়।

১. আরামদায়ক জায়গা: দ্রুত টাইপ করার জন্য চাই উপযোগী ও স্বস্তিকর জায়গা। খোলামেলা ও আরামদায়ক জায়গা হলে দ্রুত টাইপ করতে সুবিধা হয়। ল্যাপটপে বা কিবোর্ড নিয়ে দ্রুত টাইপ করতে গেলে তা কোলের ওপর রাখার চেয়ে টেবিলের ওপর রেখে করলে দ্রুত কাজ হবে।

২. ঠিক হয়ে বসা: দ্রুত টাইপ করার জন্য ঠিক হয়ে বসা জরুরি। সোজা হয়ে বসে কবজি যাতে কিবোর্ড বরাবর থাকে, এদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে আঙুল কিগুলো ঠিকমতো চালাতে পারবেন। বেশি ঝুঁকে টাইপ না করাই ভালো। আরামদায়ক উচ্চতায় বসে টাইপ করলে দ্রুত টাইপ করা যাবে।

৩. হাত সঠিক স্থানে রাখুন: কিবোর্ডের ওপর ঠিকমতো হাত না রাখার ফলে দ্রুত টাইপ করা যায় না। ভুলভাবে কিবোর্ডের ওপর হাত রাখার ভুলটিই বেশি দেখা যায়। তাই কিবোর্ডে আঙুল রাখার নিয়মটি মনে রাখতে পারেন। বাঁ হাতের তর্জনীতে রাখুন ‘এফ’ কি, মধ্যমাতে ‘ডি’, অনামিকাতে ‘এস’, কড়ে আঙুলে ‘এ’। ডান হাতের তর্জনী রাখুন ‘জে’, মধ্যমাতে ‘কে’, অনামিকাতে ‘এল’ ও কড়ে আঙুল রাখুন ‘সেমিকোলন’ কিতে। বাঁ ও ডান হাতের বৃদ্ধা আঙুল রাখুন স্পেস বারে। কিবোর্ড ব্যবহার করে দ্রুত টাইপ করতে হলে অনুশীলনের বিকল্প নেই।

৪. অনুশীলন শুরু: আঙুল ঠিকমতো রাখার পর বিভিন্ন শব্দ টাইপ করতে থাকুন। অনুশীলন চালিয়ে যান। শুরুতে যে কিগুলোতে আঙুল রেখেছেন, তা চেপে টাইপ শুরু করুন। ‘এএসডিএফ’ এরপর স্পেস দিয়ে ‘জেকেএল; ’ এরপর বড় হাতের অক্ষরে এ অক্ষরগুলো টাইপ করার চেষ্টা করুন। এরপর নিচের সারির কিগুলোতে আঙুল রেখে এই কিগুলো টাইপ করুন। একই সঙ্গে ওপরের সারিতে আঙুল রেখে ওই কিগুলো টাইপ করার চেষ্টা করুন। এবার কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়েই কিগুলো চেপে টাইপ করার চেষ্টা করতে পারেন।

৫. টাচ টাইপিং শেখা: শুরুতে টাচ টাইপিংয়ের দক্ষতা খুব কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু একবার দক্ষ হয়ে গেলে টাচপ্যাড ব্যবহার করে সবচেয়ে দ্রুত টাইপ করা যায়। টাচ টাইপ শিখতে খুব ধীরে কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়ে অনুশীলন শুরু করুন। ধীরে ধীরে আপনার টাইপের গতি বাড়ান। শুরুতে কঠিন মনে হলেও লেগে থাকুন। ধীরে ধীরে দ্রুত টাইপ শিখে যাবেন।

৬. অনুশীলন চালিয়ে যান: দ্রুত টাইপ শেখার জন্য অনুশীলনের বিকল্প নেই। যত টাইপ করবেন, তত দ্রুত ও নির্ভুল টাইপ করা শিখে যাবেন। তবে এ জন্য ধৈর্য থাকতে হবে।

সূত্র: ম্যাশেবল।

অনলাইনে বিশাল ব্যবসার সম্ভাবনা দেখছে গুগল

অনলাইনে বিশাল ব্যবসার সম্ভাবনা দেখছে গুগল
২০২০ সাল নাগাদ অনলাইন সুবিধার আওতায় চলে আসবে ৫০০ কোটি মানুষ। এটিকে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশাল ব্যবসা সম্ভাবনা হিসেবে দেখছে গুগল। ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার গুগলের ইউরোপ অঞ্চলের প্রধান ম্যাট ব্রিটিন এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারশতে আইটি স্টার্টআপ বা প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ম্যাট ব্রিটিন বলেন, পাঁচ বছরে সংযোগের আওতায় আসা মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। ৫০০ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সুবিধা পাবে। প্রত্যেকের পকেটে ইন্টারনেট সুবিধা চলে আসবে। তিনি বলেন, ‘৫০০ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের আওতায় আসা মানে বিশাল সম্ভাবনা। এ সময়টি পরিবর্তনের। পাঁচ বছরের সময়কালে আমরা ইন্টারনেট সংযোগের হিসাবে সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যাগুরু হয়ে যাব। এ জন্য স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এ বাজার নিয়ে ভাবার সময় এখন।’

ব্রিটিন বলেন, ‘গুগল যদিও একটি সার্চ ইঞ্জিন, তবে এটি উদ্যোক্তা ও অর্থনীতির জন্য প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এখন লাখো প্রতিষ্ঠানকে সফটওয়্যার, প্রযুক্তি, বিপণন, বিতরণের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়তে দেখছি। আমরা এগুলোকে ‘ক্ষুদ্র-বহুজাতিক’ প্রতিষ্ঠান বলতে পারি। প্রতিটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান জন্মলগ্ন থেকেই বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে পারে।’ এএফপি

নাসার ‘রাসায়নিক ল্যাপটপ’

 নাসার ‘রাসায়নিক ল্যাপটপ’
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এমন এক ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি করেছে, যা হয়তো একদিন ভিনগ্রহে জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে বের করবে। বিজ্ঞানীরা যন্ত্রটিকে বলছেন ‘রাসায়নিক ল্যাপটপ’। গ্রহান্তরে গিয়ে এই ল্যাপটপ নমুনা সংগ্রহ করে তাতে হয়তো এমন কিছুর অস্তিত্ব খুঁজে পাবে, যা এলিয়েন বা জীবনের সন্ধান দেবে। তরল নমুনা সংগ্রহ করে রঙের সঙ্গে মিশিয়ে লেজার রশ্মির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে এটি অ্যামাইনো, নাকি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই অ্যাসিডই জীবনের অস্তিত্ব শনাক্ত করে।

চলচ্চিত্র মূলত বাস্তব জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। তবে কিছু কিছু চলচ্চিত্র আছে, যেগুলো থেকে বাস্তবের দুনিয়া শিখতে পারে। এমনই এক সিনেমা স্টার ট্রেক। এই ছবি থেকে আগে অনেক কিছুই তৈরি হয়েছে, পাওয়া গেছে নতুন অনেক ধারণা। রাসায়নিক ল্যাপটপকেও এই স্টার ট্রেক-এর ‘ট্রাইকোর্ডার’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন বিজ্ঞানীরা।
নাসার জেট প্রপালশন গবেষণাগারের প্রযুক্তিবিদ ফার্নান্দা মোরা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের যন্ত্রটি মূলত কেমিক্যাল অ্যানালাইজার (রাসায়নিক বিশ্লেষক)। এটাকে পুনরায় প্রোগ্রাম করে নতুন নতুন কাজে ব্যবহার করা যাবে। একই ল্যাপটপের ভিন্ন ভিন্ন অ্যাপে যেমন ভিন্ন ভিন্ন কাজ হয়, এটাও তেমনই।’ খুব সহজ-সরল মনে হলেও আদতে ব্যাপারটা বেশ জটিল। অ্যামাইনো ও ফ্যাটি—দুই ধরনের অ্যাসিডই জীবনের চিহ্ন বহন করে। তবে জীবের বাইরেও এসব অ্যাসিড তৈরি হতে পারে। সমস্যাটা এখানেই, পার্থক্য করাটা কঠিন। এরও সমাধান আছে নাসার এই যন্ত্রে। তরল নমুনা নিয়ে কাজ করে বলে এটা বৃহষ্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে কাজে লাগানো যেতে পারে। বিজ্ঞানীদের অনেক দিনের ধারণা, ইউরোপাতে হয়তো জীবনের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র হারিয়ে গেলে কী করবেন?

বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র হারিয়ে গেলে কী করবেন?
বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে কীভাবে তা সংগ্রহ করবেন? আমাদের শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সম্পদ সার্টিফিকেট [সেটা এস.এস.সি বা এইচ.এস.সি বা অন্য বোর্ড পরীক্ষার হোক] হারিয়ে ভীষণ চিন্তায় এবং দিশেহারা হয়ে যাই।
কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট ফিরে পাবেন তা বুঝতে পারেন না। সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবান শিক্ষা সংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

পরীক্ষার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আপনাকে প্রথমে যে কাজগুলো করতে হবেঃ

(১) জিডি (জেনারেল ডায়েরি বা সাধারণ ডায়েরি) করা। নিকটস্থ থানায় গিয়ে কর্তব্যরত অফিসারকে বুঝিয়ে বলুন আপনার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেছে এই কারণে আপনি একটি জিডি করাতে চান। তিনি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবেন যা জিডির জন্য প্রয়োজন। জিডি করাতে যাওয়ার আগে আপনার সার্টিফিকেটের মূল তথ্য যা আপনার মনে আছে (অথবা প্রবেশ পত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড) সুন্দর ভাবে লিখে নিয়ে যাবেন। তাহলে প্রয়োজনের মুহূর্তে সঠিক তথ্য দেয়া সম্ভব হবে।
(২) জিডির একটি কপি আপনাকে দেয়া হবে, যেখানে সকল বিস্তারিত তথ্য ও জিডি নাম্বার থাকবে। এটির কমপক্ষে ৫-৬টি ফটোকপি করে সংরক্ষণ করুন। পরে এগুলো দরকার হবে।
এবার পত্রিকা অফিসে যোগাযোগ করুন। দেশের সবচেয়ে প্রচলিত পত্রিকা বা আপনার স্থানীয় কোন পত্রিকা। তবে প্রচলিত পত্রিকাগুলোয় যোগাযোগ করা ভাল। পত্রিকায় হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে, এ ব্যাপারে পত্রিকায় দায়িত্বরত ব্যক্তির সাথে কথা বলুন।

পত্রিকার বিজ্ঞাপনে যেসব বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবেঃ

১. জিডি নাম্বার
২. সার্টিফিকেটে থাকা পরীক্ষার নাম
৩. বোর্ড
৪. পাশের সন
৫. নিজের নাম
৬. কীভাবে আপনার সার্টিফিকেট হারিয়েছে
এছাড়াও আরও কোনো প্রয়োজনীয় তথ্য বাকি রয়ে গেলে তা আপনার কাছে পত্রিকায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করবেন। কাজেই এ নিয়ে চিন্তিত হবেন না।
(৩) জিডির কপি এবং পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি কেটে সাথে নিন। যে শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন তার তথ্যসংগ্রহ কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। তাদের কাছ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
(৪) সকল কাগজপত্র নিয়ে সোনালি ব্যাংকের কোন একটি শাখায় চলে যান, ডিমান্ড ড্রাফট করুন। এবার সকল কাগজপত্র যথা: জিডির কপি, পত্রিকার বিজ্ঞাপনের কাটিং, আবেদনপত্র এবং টাকা জমা দেয়ার রশিদ সব একত্রিত করে শিক্ষাবোর্ডের সচিবের নিকট আবেদন পত্র লিখুন।

আবেদন পত্রে যে তথ্যগুলো অবশ্যই থাকতে হবে-

আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিক না উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেন এবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে। পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের প্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।
আবেদন করার পর আপনার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে কি না, কিভাবে পরবর্তীতে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে এ সকল তথ্য বোর্ড থেকেই আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে। তথ্যগুলো লিখে রাখুন এবং নিয়মিত খোঁজ নিন।

নতুন সার্টিফিকেট পাওয়ার পর–

দয়া করে অফসেট কাগজে এর কিছু ফটোকপি করিয়ে রাখুন এবং এমন স্থানে রাখুন যাতে তা সহজে হারিয়ে না যায়। অথবা পানি, আগুন বা পোকার আক্রমণে বিনষ্ট না হয়।

সতর্কতা অবলম্বন করুন:–

যখন তখন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রটি হারিয়ে যায়। পুড়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায়। তাই এ ধরনের বিড়ম্বনা পোহানোর চাইতে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করাটা অনেক ভাল। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজের মূল কপি এদিকে-ওদিকে না ছুটে অফসেট ভাল ফটোকপি মেশিনে একসেট কপি করিয়ে তা থেকে পরবর্তীতে ফটোকপি করলে অহেতুক এসব ঝামেলায় পড়তে হবে না। এসব ঝামেলা থেকে খুব সহজেই রেহাই পেয়ে যাবেন।

ব্যাতিক্রম আছে

নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

কত টাকা লাগবে

আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। কত টাকা লাগবে সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্র ফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ নকলের জন্য ২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। আর টাকার কম বেশিও হতে পারে। ওয়েবসাইট থেকে বর্তমান তথ্য পেতে পারেন।
সুতারং; বোর্ড পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র হারিয়ে গেলে কী করবেন? এই কথাটি আর না ভেবে উপরোক্ত পদ্দতি অনুযায়ী যা যা করার দরকার এক্ষুনি করে ফেলুন।
পোষ্টটি ভাল লাগলে, শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

দেখে নিন সকল প্রয়োজনী্য ওয়েবসাইট এর নাম ও লিঙ্ক [আপডেট]

দেখে নিন সকল প্রয়োজনী্য ওয়েবসাইট এর নাম ও লিঙ্ক [আপডেট]
ইন্টারনেটে নানারকমের ওয়েবসাইট তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ। বিভিন্নি সার্চ ইন্জিন এর ব্যবহারের ফলে যে কেউ সহজেই তার কাঙ্খিত ফলাফল খুজে বের করতে পারে । উদাহরন স্বরুপ বলা যেতে পারে আপনি বাংলা ভাষায় স্বাস্হ্য টিপস পেতে চাচ্ছেন স্বাভাবিকভাবেই আপনি গুগলে গিয়ে সার্চ করবেন Health Tips BD লিখে এবং অসংখ্য রেজাল্ট এর মধ্যে আপনার পছন্দের যে কোন একটিতে প্রবেশ করবেন এবং সেখান থেকে তথ্য গ্রহন করবেন । তাই আজকে আপনাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী কিছু সাইটের লিংক দিচ্ছি সংরক্ষন করে রাখুন কাজে দিবে ।

বাংলা টেকনোলজি আপডেট নিউজ পেতে ভিসিট করুন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্লগ

ইংরেজীতে টেকনোলজি টিউটোরিয়াল পেতে ভিসিট করুন

Tech Blog
Technology Zone

ইসলামিক সাইট


Islamic Daily Updates
Islamic Story
Mosques World 
Islamic Video Sharing

ইবুক পিডিএফ ডাউনলোড সাইট

Pdf Tutorial Zone
Get BD Book
Books Bangla
BD Books Centre

এসএমএস সাইট

 Free SMS

সিম অফার জানার জন্য ওয়েবসাইট

SIM Offer BD

ভালবাসার গল্প নিয়ে ওয়েবসাইট

Love Story BD

ভয়ংকর ভুতের গল্প

Bangla Ghost Story

রান্নাবান্নার রেসিপি

BD Foods Zone

বাংলা হেলথ টিপস

Health Tips BD
Health Tips

ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম বিষয়ক সাইট 

BD Travels
Historical Place

সফটওয়ার ও গেমস সাইট

এন্ড্রয়েড এপস ডাউনলোড সাইট

Free Android Apps

কম্পিউটার সফটওয়ার

Computer Software Zone

কম্পিউটার গেমস

Download Free Games

খেলাধুলার খবরাখবর সংক্রান্ত সাইট

Sports Update

মুভি ডাউনলোড সাইট

Free Movie Download

অডিও গান ডাউনলোড সাইট

Bangla Music Download

ওয়ালপেপার ডাউনলোড সাইট

Desktop Wallpapers
Photos of Cute Baby
Funny Photo BD

মোবাইলের মুল্য সম্পর্কিত সাইট

Mobile Price BD

ল্যাপটপের মুল্য সম্পর্কিত সাইট

 Laptop Price BD

অনলাইন আর্নিং সাইট

Earn Money Online
Money Earning Ways

গ্রাফিক্স ডিজাইন টিউটোরিয়াল সাইট

Graphic Tips

চাকরির খবর

BD Jobs

ফেসবুক টিপস

Bangla Facebook Tips
Facebook Cover Photos

রেজাল্ট জানুন

Results BD

গুগোল এডসেন্স এপ্রুভ করা

গুগোল এডসেন্স এপ্রুভ করা
১/ গুগোল এডসেন্স থেকে কেমন ইনকাম করা সম্ভবঃ
এই কথার প্রেক্ষিতে আমি বলবো ০১ টাকা ইনকাম করা সম্ভব না, যদি না আপনি কাজ করতে পারেন। এডসেন্স এপ্রুভ হলেই অথবা অন্যের দেখে এডসেন্স কিনে নিলেই যে মাসে মাসে হাজার হাজার ডলার কামাইবেন, কথাটা ১০১% ভুল। আপনাকে কাজ জানতে হবে। এক্সপার্ট হবার দরকার নেই মোটামুটি বিষয়গুলো জেনে নিন তাহলেই কিছু আশা করা যায়।
http://careersourcebd.com/
অনেকে অনেক নিয়মের কথা বলে, এ বিষয়ে আমি বলবো এত নিয়ম মানতে গেলে এডসেন্স করা মনে হয় সম্ভব না। আর গুগোল নিয়ম-নীতি সবগুলোই অনেক কঠিন না যে করলেই ব্যান খাইবেন। যা করবেন লিমিটে এবং বুঝে শুনে।
অনেকে বিভিন্ন ট্রিক্স ব্যবহার করে প্রতিদিন ৫০ - ৫০০ ডলার আয় করতেছে। তাদের ব্যান হয়না আর আপনার কেন ব্যান হবে।
আমার অনেক ফ্রেন্ড আছে যারা শুধু ব্লগিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে এডসেন্স হতে প্রতিদিন ৫০-৭০ ডলার আয় করতেছে।
২/ অ্যাকাউন্ট হোল্ড হওয়া এবং না হবার কারণঃ
বর্তমানে অনেক এডসেন্স এপ্রুভ হচ্ছে যেগুলো ১০ ডলার হবার পরেও হোল্ড হয়না, আবার কিছু কিছু  আছে হয়ে যায়। অনেকে এগুলো এক নাম্বার এবং দুই নাম্বার এডসেন্স বলে
ভাইজান একটু ভালো মত শুনেন, যে যত বড় মাষ্টার হোক এডসেন্সের আর যত হাজার হাজার ট্রিক্স জানুক কোন লাভ নেই। গুগোল তো একটাই। গুগোল তো আর কাউকে পার্সোনাল ভাবে সার্ভিস দেয়না। গুগোল অটোমেটিক ভাবে বিল পেমেন্ট করলেও, এডসেন্স ম্যানুয়ালি এপ্রুভ করে থাকে বিষয় নিশ্চয় আপনার জেনে রাখা দরকার। তাই ট্রিক্স মাস্টার হয়েও লাভ নেই।
যারা ১ নাম্বার আর ২নাম্বার এডসেন্স বলেন, আমার ধারণা এটা তাদের সিস্টেম এর কোন প্রবলেম। কারন অ্যাকাউন্ট হোল্ড টা ম্যানুয়ালি হয়না, অটোমেটিক হয়ে থাকে। আশা করা যায় কিছু দিন অপেক্ষা করলে ঠিক হয়ে যাবে।
এটা গুগোল এর প্রোডাক্ট, তাই এটার কি হবে, কি হবেনা এবং কেন এমন হচ্ছেনা এটা গুগোল ছাড়া কেউ বলতে পারবে না।
পরবর্তীতে আরও কিছু লিখবো।

দেখে নিন কিভাবে করবেন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষন

দেখে নিন কিভাবে করবেন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষন
এখন তোমার মন বলছে আমার এই বিষয়ে এত কম গ্রেড পাবার কথা নয়। বাংলাদেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলো আশানুরুপ না হওয়াতে শিক্ষার্থীদের মনে যদি ফলাফল অনিশ্চয়তা থাকে তাদের অনিশ্চয়তা দূর করতে খাতা পুনঃমূল্যায়ন এর সুযোগ দিয়ে থাকে যা “ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন”, “পুনঃনিরীক্ষণ”, “পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ”, “Re-scrutiny” ইত্যাদি নামে পরিচিত। অনেকের ধারণা বোর্ড কতৃপক্ষ খাতা পুনঃমূল্যায়ন করে। কিন্তু আসলে এই প্রক্রিয়ায় বোর্ড থেকে যা করা হয় তা হল , নম্বর গণনা কিংবা কোথাও নম্বর প্রদানে ভুল ভ্রান্তি ভ্রান্তি হয়েছে কিনা সেসব বিষয় মিলিয়ে দেখা হয়।
কিভাবে ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন করবেন : ঘরে বসে মোবাইল থেকেই ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন এর জন্যে আবেদন করতে পারবেন।
তার জন্যে যা যা লাগবেঃ
টেলিটক সংযোগ সহ একটি মোবাইল ফোন। (শুধুমাত্র টেলিটক আপারেটর থেকেই ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন সম্ভব কিন্তু যাদের টেলিটক সিম নেই তাদের চিন্তার কিছু নেই, তারাও চাইলে অন্য কারো সিম ব্যাবহার করে অথবা ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন এর আবেদন করে এ ধরণের কোন দোকান থেকেও আবেদন করতে পারবেন)।
মোবাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যানান্স ( প্রতিটি বিষয়ের আবেদনের জন্যে মোবাইল থেকে আবেদন ফি বাবদ ১২৫ টাকা করে কেটে নেওয়া হবে। যে সকল বিষয়ের ২ টি পত্র রয়েছে যেমনঃ বাংলা ও ইংরেজি সে সকল বিষয়ের ক্ষেত্রে একটি বিষয় কোডের বিপরিতে ২ টি পত্রের আবেদন বলে গণ্য হবে তাই এ ক্ষেত্রে খরচ পরবে ২৫০ টাকা )
এছাড়া আপনার এসএমএস পাঠানোর জন্যও টাকা লাগবে তাই ১০/২০ টাকা বেশি রাখা ভালো।
আপনার সাথে যোগাযোগ এর একটি ব্যাক্তিগত নম্বর (বাংলাদেশের যে কোন অপারেটর এর নম্বর দিতে পারবেন)
আবেদন করতে এসএমএস করবেন যেভাবেঃ
মোবাইল এর ম্যাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেন-
RSC<স্পেস>আপনার বোর্ড এর নামের প্রথম ৩ অক্ষর<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>বিষয় কোড লিখে পাঠিয়ে দিন ১৬২২২।
উদাহরণঃ ঢাকা বোর্ড এর কোন শিক্ষার্থীর রোল নম্বর যদি হয় 123456 তার বাংলার জন্যে আবেদন করতে লিখতে হবে এভাবেঃ RSC<স্পেস>DHA<স্পেস>123456<স্পেস>101
এর পর ম্যাসেজটি 16222 এই নম্বরে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য আপনি একটি এসএমএস এ একসাথে একাধিক বিষয়ের জন্যে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কমা (,) দিয়ে বিষয়গুলোর কোড আলাদাভাবে লিখতে হবে। যেমন বাংলা ও ইংরেজি দুটি বিষয়ের আবেদন করতে হবে এভাবেঃ
RSC<স্পেস>DHA<স্পেস>123456<স্পেস>101,107
ফিরতি এসএমএস এ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে জানিয়ে আপনাকে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে। আপনি রাজি থাকলে এর পর মাসেজ অপশন এ গিয়ে লিখবেনঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>পিন নম্বর<স্পেস>আপনার সাথে যোগাযোগের একটি নম্বর (যে কোন অপারেটর এর) লিখে সেন্ড করুন ১৬২২২ নম্বরে।
উদাহরনঃ ধরুন ফিরতি এসএমএস এ প্রদত্ত আপনার পিন নম্বর হল 1234 এবং আপনার মোবাইল নম্বর 01613XXXXXX সেক্ষেত্রে আবেদন করবেন এভাবেঃ
RSC<স্পেস>YES<স্পেস>1234<স্পেস>01613XXXXXX
ব্যাস উপরের প্রক্রিয়াগুলো যদি আপনি সঠিক ভাবে অনুসরণ করে থাকেন তাহলে সফলভাবে আপনার ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
আবেদনের সময়সীমাঃ
২০১৫ সালের ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়া ৩১শে মে থেকে ০৬ জুন ২০১৫ পর্যন্ত পর্যন্ত চলবে।

visit Tech Blog

বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানব সভ্যতা এক নজরে

বিগ ব্যাং থেকে বর্তমান মানব সভ্যতা এক নজরে
‘বিগ ব্যাং’, মহাবিশ্বের সূচনা, মহাবিশ্বের সব কিছুর উৎপত্তি। সকল পদার্থ ও শক্তির সৃষ্টি।
আজ থেকে প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে পরমানুর চেয়েও বহুগুন ক্ষুদ্র প্রায় শুন্য আয়তনে ঘটা একটি বিস্ফোরনের মধ্য দিয়ে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি।
‘বিগ ব্যাং’ এর পর সময়ের পরিক্রমায় ধাপে ধাপে এই মহাবিশ্ব বর্তমান অবস্থায় আসে। গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যলাক্সি সব কিছুর শুরু ‘বিগ ব্যাং’।
সল্প পরিসরে দেখা যাক ‘বিগ ব্যাং’ এর পর কি কি ধাপ পার হয়ে আমাদের পৃথিবী, পৃথিবীতে ‘প্রথম প্রান’ এবং প্রানের বিকাশের ধারায় বর্তমান মানব সভ্যতা।
প্রথম পর্বে ‘বিগ ব্যাং’ এর পর পর্যায়ক্রমে পৃথিবীর সৃষ্টি এবং পৃথিবীতে ‘প্রথম প্রান’ সৃষ্টির উপযুক্ত পরিবেশ গঠিত হবার সময় পর্যন্ত একটি ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হল।
  • বর্তমান সময় হতে প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে বৃহৎ বিস্ফোরন সংগঠন। তাপমাত্রা প্রায় ১০^২৭ ডিগ্রী সেঃ।
  • বিগ ব্যাং এর পর ১ সেকেন্ড সময়ের মাঝে প্রায় শূন্য আয়তনের মহাবিশ্ব ছড়িয়ে পরে গ্যালাক্সির চেয়েও বড় এলাকায়। পদার্থ-প্রতিপদার্থ, কোয়ার্ক-প্রতিকোয়ার্ক একে অপরকে ধ্বংস করে শুধু শক্তি হয়ে বিরাজ করে। বাকিরা প্রোটন ও নিউট্রন সৃষ্টি করে। তাপমাত্রা কমে প্রায় ১০^১২ডিগ্রী সেঃ।
  • ইলেক্ট্রন পজিট্রন কে ধ্বংস করে। তাপমাত্রা আরো কমে প্রায় ৩০০ কোটি ডিগ্রী সেঃ হয় দশ সেকেন্ডের মধ্যে।
  • পরমানু গঠনের তিন মৌলিক কনা ইলেক্ট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন প্রস্তুত হতে সময় নেয় বিগ ব্যং এর পর তিন মিনিট।
    এর পর এভাবে সময় বয়ে চলে। মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হতে থাকে। মহাশুন্যে ভেসে বেড়ায় ইলেক্ট্রন, প্রোটন আর নিউট্রনের দল বিচ্ছিন্ন ভাবে।
  • প্রোটনকে কেন্দ্র করে প্রথম ইলেক্ট্রন ঘুর্নন শুরু করে বিগ ব্যাং এর প্রায় ৩ লক্ষ বছর পর। তৈরী হয় মহাবিশ্বের প্রথম পরমানু, হাইড্রোজেন পরমানু। এভাবে তৈরী হয় অসংখ্য বিচ্ছিন্ন হাইড্রোজেন পরমানু। যা বর্তমান কালের সকল বস্তুর, সকল পরমানুর আদি অবস্থা।
  • এ সময় থেকেই শুরু হয় মহাবিশ্ব গঠনে মহাকর্ষের প্রধান ভূমিকা। হাইড্রোজেন পরমানু মহাবিশ্বের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে মহাকর্ষের প্রভাবে কাছাকাছি আসা শুরু করে। গঠিত হয় গ্যালাক্সি। বিগ ব্যাং এর পর প্রায় ৩০ কোটি বছর থেকে ৫০ কোটি বছর পর্যন্ত চলতে থাকে বিভিন্ন স্থানে গ্যালাক্সির জন্ম ও পূর্নতা প্রাপ্তির পথে এগিয়ে যাবার সূচনা।
    এসব গ্যালক্সির অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে কাছাকাছি থাকা হাইড্রোজেন মহাকর্ষের প্রভাবে আরো কাছাকাছি এসে একটি কেন্দ্রের দিকে এগুতে শুরু করে। তাদের পারষ্পারিক ঘর্ষনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে। সেই সাথে বাড়তে থাকে চাপ এবং বাড়ে সামগ্রিক মহাকর্ষ বল যা আশেপাশের হাইড্রোজেনকে আকর্ষন করে কাছ নিয়ে আসে আরো বেশি পরিমানে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ১ কোটি ৮০ লক্ষ ডিগ্রী ফারেনহাইট হলে হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস মিলে গঠিত হতে থাকে ভারী মৌল হিলিয়াম। সেই সাথে ফিউশনের জন্য বিকিরিত হয় শক্তি। এভাবেই তৈরী হয় মহাবিশ্বের প্রথম নক্ষত্র। একই প্রক্রিয়ায় তৈরী হয় মহাবিশ্বের সকল নক্ষত্র। আমাদের সৌরজগতের সূর্যও এমনই একটি নক্ষত্র।
    এখানে তৈরী হল প্রাথমিক ও হাল্কা দুটি মৌল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম। কিন্তু আমাদের পৃথিবীতেই আছে আরো শতাধিক তুলনামূলক ভারী মৌল। সেগুলোও তৈরী হয় নক্ষত্রেই। নক্ষত্রের আকারের উপর নির্ভর করে তুলনামুলক ভারী নক্ষত্র গুলোতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে আর সেই সাথে সকল হাইড্রোজেন ফিউশনিত হয় হিলিয়াম হবার পরেও ফিউশন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। ভারী থেকে অতি-ভারী নক্ষত্রে একই ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরী হয় হিলিয়াম থেকে যথাক্রমে, কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, ম্যাগনেসিয়াম এবং সবশেষে লোহা। নক্ষত্রের সকল পরমানু লোহাতে পরিনত হবার পর আর ফিউশন চলতে পারে না। তখন মৃত্যু ঘটে একটি নক্ষত্রের। ছোট নক্ষত্রে এই মৃত্যু শান্ত হলেও মাঝারী ও বৃহদাকার নক্ষত্রে তারাদের ফিউশন শেষে এরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় বিশাল এক বিস্ফোরনের মধ্য দিয়ে। আর এই বিস্ফোরনের মাধ্যমেই তৈরী হয় কপার, সীসা এবং ইউরেনিয়ামের মত ভারী মৌল।
  • আজ থেকে প্রায় ১০০০ কোটি বছর পূর্বে সৃষ্টি হয় মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি। যার অধিবাসী আমরা। এই গ্যালাক্সিতে বারবার নক্ষত্রের জন্ম, মৃত্যু ও বিস্ফোরনের মাধ্যমে সৃষ্ট ভারী মৌল ও প্রয়োজনীয় হাল্কা হাইড্রোজেন একত্রীত হয় এই সর্পিলাকার গ্যালাক্সির পরিধির কাছাকাছি বর্তমান সৌরজগতের স্থানে।
  • বর্তমান সময় থেকে প্রায় ৪৫৬ কোটি বছর আগে এই একত্রীত ধুলোর মেঘ তার কেন্দ্রে তৈরী করে একটি নতুন নক্ষত্র। যাকে আমরা বলছি ‘সূর্য’। সৌরজগতের প্রান কেন্দ্র।
  • এই সৌরজগতের মোট পদার্থের ৯৯.৯% পদার্থ নিয়েই গঠিত হয় সূর্য। তারপরেও তার আশেপাশে থাকে গ্রহ উপগ্রহ তৈরীর জন্য পর্যাপ্ত পদার্থ। যেগুলো সময়ের সাথে মহাকর্ষের টানে কাছাকাছি এসে একত্রীত হয়ে গ্রহের আকার ধারন করে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে থাকে এবং তৈরী করে সৌরজগত। এই গ্রহগুলোর একটি আমাদের পৃথিবী।
  • আজ থেকে ৪৫৪ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবী গ্রহের আকার ধারন করে যার ভর ছিল বর্তমান ভরের ৮০% । এ অবস্থায় পৃথিবী ছিল সম্পূর্ন অর্ধ-তরল গলিত লাভার একটি গোলাকার খন্ড। তখন পৃথিবীর ঘুর্নন ছিল বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি। তখন পৃথিবীর নিজ অক্ষের উপর একবার ঘুরতে সময় লাগত মাত্র ৬ ঘন্টা।
    দিন অতিবাহিত হতে থাকল পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ নির্ধারন করে নিল। গলিত পৃথিবী ঠান্ডা হতে থাকল। হালকা পদার্থ তরলের উপরে উঠে এসে ভূপৃষ্ঠের আবরনের তৈরী করতে থাকল আর ভারী পদার্থ ডুবে গিয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রে ভারী লোহা ও নিকেলের মিশ্রিত একটি ‘কোর’ তৈরী করল। এই ধাতব কেন্দ্র থেকে একটি চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হল যা সূর্য থেকে ধেয়ে আশা আয়নিত কনা থেকে পৃথিবীর জীবজগৎকে এখনো রক্ষা করে চলে প্রতিনিয়ত। তখনো পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ তৈরী হয়নি।
  • ৪৫৩ কোটি বছর পূর্বে প্রায় মঙ্গল গ্রহের সমান একটি বস্তুখন্ড ঘন্টায় প্রায় ২৫০০০ কিঃমিঃ বেগে এসে পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। এই সংঘর্ষের ফলে আগন্তুকের কিছু অংশ পৃথিবীতে থেকে যায় আর বাকি অংশ ছড়িয়ে পরে মহাকাশে। ছড়িয়ে পরা এই বস্তুর কিছু অংশ মহাকর্ষের টানে একত্রীত হয়ে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে শুরু করে। সৃষ্টি হয় পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।
    চাঁদ সৃষ্টি হওয়া পৃথিবীর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। এই সংঘর্ষের ফলেই পৃথিবীর উলম্ব অক্ষ খানিকটা বেকে যায়। যার ফলে আজ আমরা পাচ্ছি ঋতুবৈচিত্র। যেটি প্রানের উদ্ভব ও জীবন ধারনের জন্য প্রয়োজনীয়। পৃথিবীর আহ্নিক গতি হ্রাস প্রাপ্ত হয়ে ৬ ঘন্টা থেকে ২৪ ঘন্টায় আসতে চাঁদের আকর্ষনের গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া বর্তমানেও পৃথিবীর জলবায়ুর উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে চাঁদ। তার চাক্ষুস উদাহরন জোয়ার-ভাটা।

  • ৪৫০ কোটি বছর পূর্ব থেকে ৩৮০ কোটি বছর পূর্ব পর্যন্ত পৃথিবী প্রানের উদ্ভব ঘটার জন্য পর্যাপ্ত স্থিতিশীল অবস্থায় আসে। পৃথিবীর কক্ষপথ সুনির্দিষ্ট হয়, পৃথিবীর আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি স্থিতিশীল হয়, পৃথিবীর চারদিকে চাঁদের গতি নির্দিষ্ট হারে এসে পৌছায়, চাঁদ অর্ধ-তরল লাভা থেকে ঠান্ডা হয়ে কঠিন অবস্থায় আসে।
  • ৪৫০ কোটি বছর পূর্বে, পৃথিবী কিছুটা শীতল হয়ে ভূপৃষ্ঠ কঠিন আকার ধারন করে। তবে তখনো ভূপৃষ্ঠে চলছে প্রচন্ড অগ্নুৎপাত। সেসময় পৃথিবীতে তাপমাত্রা এতই বেশি ছিল যে কোন তরল পানি ছিল না, ছিল ‘সুপারহিটেড স্টীম’।
    ধীরে ধীরে পৃথিবী ঠান্ডা হতে থাকে, জলীয়বাস্পের দরুন বৃষ্টিপাত হয়। প্রথমে খুবই অল্প পরিমানে ও পরে বেশি। ভুপৃষ্ঠ পানি তরল অবস্থায় থাকার মত তাপমাত্রায় আসে। বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্টি হয় জলাধার এবং সমূদ্র।
  • আজ থেকে ৩৮০ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবীতে সৃষ্টি হয় প্রথমবারের মত স্থায়ী সমুদ্র, যা ছিল প্রথম প্রানের উৎপত্তিস্থল ও আবাস।
প্রথম পর্বে মহাবিশ্বের উৎপত্তি থেকে পৃথিবীতে প্রান সঞ্চারের উপযুক্ত পরিবেশ গঠন পর্যন্ত সময়কে ক্ষুদ্র পরিসরে তুলে ধরা হল।
পরবর্তী দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে পৃথিবীতে প্রথম প্রানের উদ্ভব, ক্রমবিকাশ ও বিবর্তনের ধারায় বর্তমান মানব সভ্যতা গঠন পর্যন্ত অতিক্রান্ত সময়ের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ন অংশ থাকবে।
তথ্যসূত্রঃ-
১. মহাকাশে কী ঘটছে – আবদুল্লাহ আল-মুতী
২. http://www.history.com
সবাইকে ধন্যবাদ।
ব্লগে পূর্বে প্রকাশিত :- Techtune

শুধুমাত্র ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য চালু হল একটি বাংলাদেশী ওয়েবসাইট

বাংলাদেশ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের একত্র করার উদ্যোগ নিয়ে চালু হল ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারস বিডি.কম, এখানে আপনি সকলের উদ্দ্যেসে আপনার লেখা প্রকাশ করতে পারবেন ।
বিভিন্ন নিতিমালা মেনে সকল ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্যই এ উদ্যোগ,
রেজিষ্ট্রেশন করুন আর লেখা শুরু করুন ,  সাইট লিংক:  http://diplomaengineersbd.com



নিতীমালাসমুহ:

• সকলের মাঝে সেতু বন্ধন, আমাদের অগ্রযাত্রায়……………………………
• কারিগরি, শিক্ষা, পেশা ও অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত যে কোন তথ্য পোস্ট করে আমাদের অগ্রযাত্রায় শামিল হন।
• অগ্রজরা অনুজদের নতুন নতুন শিক্ষণীয় বিষয় ও পড়াশুনায় কিভাবে আরও ভাল করা যায় এ ব্যাপারে পরামর্শ প্রদান করতে পারেন।
• অগ্রজরা অনুজদের কারিগরি ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে পরামর্শ প্রদান করতে পারেন।
• নতুন নতুন প্রযুক্তি ও এর ব্যাবহার সমন্ধে জানাতে পারেন/জানতে চাইতে পারেন।
• আমাদের যে কোন চাকরির খবরাখবর এখানে পোস্ট করুন।
• আমাদের উপকার হয় এমন যে কোন বিষয় এখানে পোস্ট করতে পারেন।
• আমাদের প্রয়োজনীয় যে কোন প্রশ্ন বা তথ্য জানাতে পারেন/জানতে চাইতে পারেন।
• মেম্বারদের মধ্যে যে কারো উত্তর জানা থাকলে উত্তর দিবেন বা কোন লিঙ্ক দিয়ে সহযোগিতা করবেন।
• বিতর্কিত কোন বিষয় পোস্ট বা কমেন্ট করবেন না।
• দয়া করে যে কোন কমেন্ট বা পোস্ট দেয়ার আগে ভেবে নিন, অন্তত একবার।
• সর্বোপরি আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমাদের সকলের উন্নয়ন হক এটাই কাম্য।

❒  সদস্য হবার যোগ্যতাঃ



◉  সদস্য কে অবশ্যই দেশের অনুমোদিত যেকোনো পলিটেকনিক ইন্সিটিউট এর শিক্ষার্থী কিংবা পাসকৃত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে । ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং  পাস করার পর বি.এস সি ইঞ্জিনিয়ারিং  সহ অন্যান্য উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছে কিংবা অধ্যয়ন রত এমন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার গন ও এই সাইটের সদস্য হতে পারবেন ।

অর্থাৎ

◉  যে সকল বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর  ডুয়েট  কিংবা অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অথবা অন্যান্য উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছে কিংবা নিচ্ছে তারাও এই সাইটের সদস্য হতে পারবে ।





❒ যারা সদস্য হবার অযোগ্যঃ



◉  ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নহে কিংবা   ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এ অধ্যয়নরত নহে তারা দয়া করে এই সাইটে যুক্ত হবেন না  ।

অর্থাৎ

◉  সাধারন শিক্ষা ব্যাবস্থা হতে আগত কোন শিক্ষার্থীকে অনুরোধ করছি এই সাইটে যুক্ত না হতে ।



❒  সদস্য কে অবশ্যই পালনীয় নীতি সমুহঃ



➩ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত বিষয় ব্যাতিত  অন্য যেকোনো পোস্ট , ছবি এই সাইটে পোস্ট করা যাবেনা ।  তবে শিক্ষামূলক এবং দেশের স্বার্থে কাজে আসে এমন পোস্ট এর ক্ষেত্রে এই নীতি শিথিলযোগ্য ।



➩ এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় ব্যতীত অযথা অন্য কোন লিংক দেয়া যাবে না।  শুধু মাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত আর্টিকেল, তথ্যভিত্তিক লিঙ্ক গ্রহণযোগ্য।  নিজের বা অন্যের ওয়েবসাইট প্রোমটের উদ্দেশ্যে লিঙ্ক শেয়ার করার চেষ্টা করা যাবে না। যদি করা হয়, সেক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষ কারন উপস্থাপন করতে হবে। আর প্রোমটের চিন্তা থাকলে এখান থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।



➩ কোন ব্যাপারে জানতে হলে আপনার প্রশ্ন,কনফিউশনটি যতদূর সম্ভব পরিষ্কার ও বিস্তারিত করে পোস্ট করবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার মূল সমস্যাটিকে প্রাধান্য দিন। সরাসরি লিঙ্ক শেয়ার করা যাবে না। আগে সমস্যাটি জানাতে হবে।



➩ কমেন্ট বা পোষ্টে কোন ধরনের এফিলিয়েট লিংক এবং এ্যফিলিয়েট ফাইল হোস্টিং সাইটের (যেমনঃ Ziddu ) লিংক শেয়ার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি করা হয় তবে সাথে সাথে তাকে ব্যান করা হবে।



➩ এখানে গ্রুপ এ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার দের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়  এমন কোন পেজ বা গ্রুপ এর লিঙ্ক , কোন অবাঞ্ছিত ও ভুয়া সংবাদ এর লিঙ্ক , পোস্ট , ছবি দেয়া যাবে না ।



➩ এখানে এ কোন প্রকার রাজনৈতিক পোস্ট এবং আলাপ আলোচনা করা যাবে না ।

➩ বিশেষ দিনক্ষণ যেমন ঈদ, পুজা, জাতীয় দিবস,  এবং অতীব প্রয়োজনীয় পোস্ট যার মাধ্যমে নিজের সহ দেশ ও দশের উপকার সাধিত হয়, ইত্যাদি ব্যতীত সকল অফ টপিক ও ব্যক্তিগত লেখা এখানে অগ্রহনযযোগ্য।





➩ সদস্য কে নিজ ভাষা ব্যাবহারে সতর্ক   থাকতে হবে । সকল এর মনে রাখা প্রয়োজন যে অন্যের প্রতি নিজের প্রয়োগকৃত ভাষা নিজ এবং নিজের বংশের পরিচয় তুলে ধরে । তাই এখানে এর যেকোনো পোস্ট, কিংবা কমেন্ট এ কোনরুপ অবাঞ্ছিত ও আপত্তিকর ভাষা ব্যাবহার করা যাবে না ।



➩  আক্রমণাত্তক বা কাউকে হেও প্রতিপণ্য করে কোন পোস্ট বা কমেন্ট করা যাবে না। কেউ ভদ্রতার সীমা লঙ্ঘন করলে তাকে পারমানেন্টলি ব্যান করা হবে।



➩ এখানে সংরক্ষিত তথ্য সম্পর্কে ভালভাবে না জেনে এবং এই গ্রুপ এ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী দের স্বার্থে প্রচারিত কোন সংবাদ সম্পর্কে ভালভাবে না জেনে এমন কোন অবাঞ্ছিত পোস্ট করা যাবে না যাতে  সকল সদস্যদের সামাজিক অনুভুতিতে আঘাত হানে ।



➩ এখানে কোন প্রকার জোকস মুলক পোস্ট  দেয়া যাবে না ।

➩ দেশের যুব সমাজের চারিত্রিক গুনে আঘাত হানে  এরুপ কোন পোস্ট , লিঙ্ক বা ছবি শেয়ার করা যাবে না ।



➩ কোন কমেন্টে বা পোস্টে অনৈতিক কিছু চোখে পড়লে তা  ম্যাসেজের মাধ্যমে   জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।



➩ এই ওয়েব সাইট সম্পর্কে আপনার যেকোনো অভিযোগ থাকলে অবশ্যই তার কারনসহ উপর্যুক্ত প্রমান [ অভিযোগের সোর্স লিঙ্ক বা স্ক্রিন শর্ট ] সাপেক্ষে এডমিন কে অবহিত করবেন ।  প্রমান বিহীন আপনার কোন অভিযোগ গ্রহন করা হবে না ।





➩ সকল সদস্য কে প্রদত্ত নীতিসমুহ পালনে বিশেষভাবে অনুরোধ করা গেল ।  



➩ যেকোন ধরনের স্প্যামিং এবং  নীতিমালা ভাঙ্গার জন্য প্রথমবার সতর্ক করে দেয়া হবে এবং ২য় বার কোন প্রকারের নোটিশ ছাড়াই তাকে পারমানেন্টলি ব্যান করা হবে।



মনে রাখবেন  সাইট এর এই সকল মূলনীতির বহির্ভূত হলে এডমিন প্যানেল উক্ত সদস্য কে ব্যান করতে বাধ্য থাকিবে ।



❒ সাইট এর এই মূলনীতি সমুহের যেকোনো প্রকার পরিবর্তন, পরিবর্ধন এডমিন প্যানেল কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত ।

 সাইট অ্যাডমিনগন আপত্তিকর বা নীতিমালা বহির্ভূত কোন প্রকার পোস্ট/ইমেজ/কমেন্ট যে কারো অনুমতি ছাড়াই ডিলিট করার অধিকার রাখে। সেজন্য সেই অ্যাডমিন সহযোগি অ্যাডমিন ছাড়া অন্য কারো কাছে কোন কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নয়।

থ্রি জি নিলামে বাদ পড়ল “সিটিসেল”

থ্রি জি নিলামে বাদ পড়ল “সিটিসেল”
Citycell 30-8-13পাঁচ অপারেটরের টাকা জমা দেয়ার কথা থাকলেও বিড আরনেস্ট মানি জমা দিয়েছে চার অপারেটর। যোগ্য বিবেচিত হওয়ার পরও

কনফেডারেশন কাপ ব্রাজিলের কাছে বিশ্বকাপের ড্রেস-রিহার্সেল

কনফেডারেশন কাপ ব্রাজিলের কাছে বিশ্বকাপের ড্রেস-রিহার্সেল
২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর বসবে ব্রাজিলে। যে কারণে ওই আসরের ড্রেস-রিহার্সেল হিসেবে আসন্ন ফিফা কনফেডারেশন কাপকে বিবেচনা করছে তারা। কনফেডারেশন কাপ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে ব্রাজিল প্রমাণ করতে চায় বিশ্বকাপ আয়োজন করার যোগ্যতা তাদের আছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ ফুটবলের ১৯টি

মিয়ানমারে ৩ রোহিঙ্গা নারীকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ : নিজেদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদ করেছিল তারা

মিয়ানমারে ৩ রোহিঙ্গা নারীকে গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ : নিজেদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদ করেছিল তারা
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে পুলিশ গুলি করে কমপক্ষে তিন রোহিঙ্গা মুসলিম নারীকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পুলিশ ম্রাউক ইউ শহরের নিকটবর্তী একটি গ্রামের রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদ করে অস্থায়ী শিবিরে

২৫ অক্টোবর সরকারের মেয়াদ শেষ : ২১ আগস্ট মামলায় তারেককে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে - প্রধানমন্ত্রী

২৫ অক্টোবর সরকারের মেয়াদ শেষ : ২১ আগস্ট মামলায় তারেককে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে - প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এর পর নির্বাচনকালীন সরকার দেশ পরিচালনা করবে। নবম সংসদের চলতি ১৮তম অধিবেশনের পর আর মাত্র একটি অধিবেশন বসবে

আজম খান স্মরণে ফিডব্যাকের গান

আজম খান স্মরণে ফিডব্যাকের গান
গত ৫ জুন ছিল পপগুরু আজম খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। আরটিভির নিয়মিত লাইভ স্টুডিও কনসার্ট ‘ওয়ালটন মিউজিক স্টেশন’-এ প্রয়াত এই শিল্পীকে স্মরণ করেই গাইবে ব্যান্ডদল ফিডব্যাক। তারা শ্রোতাদের পছন্দসহ নিজেদের পছন্দেরও গান করবেন এ অনুষ্ঠানে। গানের ফাঁকে ফাঁকে

যে চিঠি পৌঁছেনি রহিমার হাতে

যে চিঠি পৌঁছেনি রহিমার হাতে
সৌদি আরব থেকে রহিমা বেগমের জন্য চিঠি পাঠিয়েছেন তাঁর স্বামী। চিঠি বলতে খামের ভেতরে এক লাখ তিন হাজার টাকার একটি চেক। দিন যায় তবু চিঠি আসে না। শেষমেশ রহিমা বেগম ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানলেন, চিঠি বাংলাদেশে এসেছে বটে, তবে আরেকজন চেক ভাঙিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিয়ে গেছে।

রেশমার নতুন জীবন শুরু

নতুন জীবন শুরু হয়েছে বিস্ময়কন্যা রেশমার। এখন তিনি পাঁচতারকা হোটেল ওয়েস্টিনের পাবলিক এরিয়া অ্যাম্বাসেডর। সাভারের সমিঞ্চলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি ওই
Design by MS Design

Powered by Blogger